আবহাওয়া

সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের সতর্ক সংকেত

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিন থেকে · দেখা হয়েছে ২২ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১১:৫৪

সমুদ্রবন্দর (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা, পায়রা)

সংকেতের নম্বর নিশ্চিতভাবে পড়া যায়নি। নিচে অধিদপ্তরের মূল বুলেটিন দেখুন।

নদীবন্দর

সংকেতের নম্বর নিশ্চিতভাবে পড়া যায়নি। নিচে অধিদপ্তরের মূল বুলেটিন দেখুন।

সংকেত দেয় শুধু বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই পাতা অধিদপ্তরের ইংরেজি বুলেটিন থেকে সংকেতের নম্বর পড়ে দেখায়, আর পাশে মূল লেখা হুবহু রাখে। কোনো অমিল থাকলে মূল বুলেটিনই ঠিক। বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের অবস্থান ও পথ: ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকার

অধিদপ্তরের নদীবন্দর সতর্কবার্তা

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬

বুলেটিনটি ছবি বা PDF আকারে প্রকাশিত, নিচের লিংকে পড়ুন।

মূল বুলেটিন (অধিদপ্তর)অধিদপ্তরের পাতা

অধিদপ্তরের সমুদ্র বুলেটিন

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬

বুলেটিনটি ছবি বা PDF আকারে প্রকাশিত, নিচের লিংকে পড়ুন।

মূল বুলেটিন (অধিদপ্তর)অধিদপ্তরের পাতা

সমুদ্রবন্দরের সংকেত: ১ থেকে ১১ নম্বরের মানে

  1. ১দূরবর্তী সতর্ক সংকেতদূর সমুদ্রে ঝোড়ো হাওয়ার এলাকা (বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৬১ কিমি পর্যন্ত), যেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে।
  2. ২দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেতদূর গভীর সমুদ্রে ঝড় সৃষ্টি হয়েছে (বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৬২–৮৮ কিমি)। বন্দর ছেড়ে গেলে জাহাজ বিপদে পড়তে পারে।
  3. ৩স্থানীয় সতর্ক সংকেতবন্দর ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে পড়তে পারে (বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিমি)।
  4. ৪স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেতবন্দর ঝড়ের কবলে পড়তে পারে (বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৫১–৬১ কিমি), তবে চরম সতর্কতার মতো বিপদ এখনও দেখা যাচ্ছে না।
  5. ৫বিপদ সংকেতহালকা বা মাঝারি ঝড় (ঘণ্টায় ৬২–৮৮ কিমি) চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার বন্দরের দক্ষিণ দিয়ে, অথবা মোংলা বন্দরের পূর্ব দিয়ে উপকূল পার হতে পারে।
  6. ৬বিপদ সংকেতহালকা বা মাঝারি ঝড় (ঘণ্টায় ৬২–৮৮ কিমি) চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার বন্দরের উত্তর দিয়ে, অথবা মোংলা বন্দরের পশ্চিম দিয়ে উপকূল পার হতে পারে।
  7. ৭বিপদ সংকেতহালকা বা মাঝারি ঝড় (ঘণ্টায় ৬২–৮৮ কিমি) বন্দরের উপর বা খুব কাছ দিয়ে উপকূল পার হতে পারে।
  8. ৮মহাবিপদ সংকেতপ্রবল ঝড় (ঘণ্টায় ৮৯ কিমি বা বেশি) চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার বন্দরের দক্ষিণ দিয়ে, অথবা মোংলা বন্দরের পূর্ব দিয়ে উপকূল পার হতে পারে।
  9. ৯মহাবিপদ সংকেতপ্রবল ঝড় (ঘণ্টায় ৮৯ কিমি বা বেশি) চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার বন্দরের উত্তর দিয়ে, অথবা মোংলা বন্দরের পশ্চিম দিয়ে উপকূল পার হতে পারে।
  10. ১০মহাবিপদ সংকেতপ্রবল ঝড় (ঘণ্টায় ৮৯ কিমি বা বেশি) বন্দরের উপর বা খুব কাছ দিয়ে উপকূল পার হতে পারে।
  11. ১১যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেতঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, আর স্থানীয় কর্মকর্তার মতে আবহাওয়া বিপজ্জনক, প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় আসতে পারে।

নদীবন্দরের সংকেত: ১ থেকে ৪ নম্বরের মানে

  1. ১নৌ সতর্ক সংকেতএলাকায় ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়া (ঘণ্টায় ৬০ কিমি পর্যন্ত) বইতে পারে। কালবৈশাখীর সময়ও এই সংকেত দেওয়া হয়।
  2. ২নৌ হুঁশিয়ারি সংকেতঝড় বা কালবৈশাখী (ঘণ্টায় ৬১ কিমি বা বেশি) এলাকায় আঘাত হানতে পারে। ৬৫ ফুট বা তার চেয়ে ছোট নৌযানকে এখনই নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।
  3. ৩নৌ বিপদ সংকেতঝড় (ঘণ্টায় ৬২–৮৮ কিমি) শিগগিরই এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব নৌযানকে এখনই নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।
  4. ৪নৌ মহাবিপদ সংকেতপ্রবল ঝড় (ঘণ্টায় ৮৯ কিমি বা বেশি) শিগগিরই এলাকায় আঘাত হানবে। সব নৌযানকে এখনই নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

সংকেতের মানে: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংকেত তালিকা (bmd.gov.bd/p/Signals) থেকে বাংলায়।

সাধারণ প্রশ্ন

সতর্ক সংকেত কে দেয়?
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র। সংকেত বন্দরে পতাকা ও বাতি দিয়ে দেখানো হয়, আর রেডিও-টেলিভিশনে প্রচার হয়। এই সাইট নিজে কোনো সংকেত দেয় না, অধিদপ্তরের বুলেটিন থেকে পড়ে দেখায়।
৫, ৬ আর ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের পার্থক্য কী?
তিনটিতেই বন্দর হালকা বা মাঝারি ঝড়ের কবলে পড়বে। পার্থক্য ঝড় কোন দিক দিয়ে উপকূল পার হবে: ৫ নম্বরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের দক্ষিণ বা মোংলার পূর্ব দিয়ে, ৬ নম্বরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের উত্তর বা মোংলার পশ্চিম দিয়ে, ৭ নম্বরে বন্দরের উপর দিয়ে বা খুব কাছ দিয়ে। ৮, ৯, ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতে একই ভাগ, তবে প্রবল ঝড়ের জন্য।
নদীবন্দরের সংকেত কখন দেওয়া হয়?
ঘূর্ণিঝড় ছাড়াও কালবৈশাখী ও ঝোড়ো হাওয়ার সময় নদীবন্দরে ১ থেকে ৪ নম্বর সংকেত দেওয়া হয়। ২ নম্বর সংকেতে ৬৫ ফুট বা ছোট নৌযান, আর ৩ ও ৪ নম্বরে সব নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হয়।
এই পাতা কত পরপর হালনাগাদ হয়?
প্রতি ১৫ মিনিটে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাইট থেকে সর্বশেষ বুলেটিন আনা হয়। জরুরি অবস্থায় রেডিও, টেলিভিশন ও অধিদপ্তরের ঘোষণাই আগে আসে, সেটিই অনুসরণ করুন।